মনের ও গহীনে তুমি

কেটে গেছে আটটি বছর
এ স্কুলেতে
আমি তো পারবোনা
আজিকার এই বেদনাকখনো ভুলিতে,
বিদায় বিরহ দিনে চারদিকে কোলাহল
বিদায় ও শুভেচ্ছাবাণী।
যেমনটি ছিল স্কুল জীবনের ক্লাসের কোলাহল
আর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পবিত্রবাণী,
দু’চোখে জল এসে যায় ছেড়ে চলে যেতে এ স্কুল,
যখন ছোট ভায়েরা দিয়ে যায় আমায়
একটি রজনীগন্ধা ফুল।
আর কি পাব সেই স্কুল জীবন?
যতদিন যাবে আমি ততদিন মনে রাখব স্মৃতি
মনের ও গহীনে।
নিয়েছিলেম ম্যাডাম ও স্যারদের কদমবুচি
তাঁরাও শোনালেন মোরে কথারও বুলি।
“আশির্বাদ করি এ+ পাবে এস.এস.সি-তে”
-এ কথাটি বলেছেন এক শ্রদ্ধেয় স্যার
সজল নয়নে
আর অশ্রুসিক্ত ভারে। দু’চোখে জল
নীরবে আমি
এক পাক ঘুরে এলাম পুরো স্কুলটা
ভাবলাম এইতো সেদিন
যেদিন পড়েছিলাম,বসেছিলাম,হেসেছিলাম
এ ক্লাসটাতে।এ স্কুলটাতে।এ মাঠটাতে।
ফেলে আসা সেই স্মৃতিগুলো
হাতড়িয়ে ফিরি আমি,আর কি পাব সেই হারানো ক্যাম্পাস?
সেই কোলাহলময় আড্ডা?
ভুলতে পারব কি এই বিরহ দিনটি?
যতদিন যাবে মনে রাখব একে
চিরদিন ধরে
তবুও চলে যেতে হবে,তবুও এগিয়ে যেতে হবে
জীবনের গতিতে তাল মিলিয়ে।
জীবনও সায়াহ্নে আমি স্মরিব সর্বদা
এই স্বর্ণালী স্কুল জীবন।
চাইনি কিছুই
শুধু পেয়েছি আদর্শ শিক্ষা,
যা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ ধন
একে পুঁজি করে পাব একদিন
কোনো সফলবাণী,
অথবা কোনো বিমর্ষ বিলাপ।
এই ধানমণ্ডি গভঃ বয়েজ হাই স্কুল-এ
আাবার আসিব ফিরে আমি
কতক সতীর্থ নিয়ে।
স্কুলের শেষদিনে চোখের জল ফেলে
বিদায় জানালাম এই স্কুল লাইফটাকে
আর কবিতা লিখলাম কেননা
ইতিহাস কথা বলে কবিতার ভাষায়।
স্মরিব আমি একে
গেঁথে দেব আমার মনের ও গহীনে বলিব
হে স্কুল লাইফ তুমি শুধু মোর মনের ও গহীনে।