এক অনিশ্চয়তার সূত্র

আমাকে টিকতেই হবে
কোথায় জানি না!
বাঘা বাঘা সব ছেলের দলে
আমি একা অপদার্থ-
মস্তিষ্ক নিয়ে যুদ্ধ করে
চলি অনন্তকাল ধরে।
লড়াই করে চলেছি খাতা-
কলমের সাথে একঘেয়েমি
লাগে নতুনত্ব খুঁজি,
নতুন জায়গায় যেতে ইচ্ছে
করে আমার।
ভাবি আবার কলেজে ভর্তি
হব। অনন্তকাল ধরে
করে যাবো ইন্টিগ্রেশন আর
জ্যামিতি। পড়ে যাব রসায়নের
সব নাম না জানা বিক্রিয়া।
কিছুই মনে নেই আমার!
কি অপদার্থ আমি!
মাথার ভিতরের ঘুনপোকাটি
কুটকুট করে খেয়ে চলেছে
মগজটা। কিছুই মনে নাই আমার!
মেডিকেল, সে তো আমার নয়,
বুয়েট হলো না আর,
কুয়েটে অপদার্থ সব
তকদীরে ছিলো বলে হইনি।
তাই সাইন ফাংশনের গ্রাফের
মত জীবন আমার
বয়ে চলেছে নিরবধি।
অথবা একঘেয়েমি পড়া আমার
tan x ফাংশনের মতই
হয়ে উঠে অসীম।
জীবনের ধারাটা করে ফেলি
অজান্তেই সসীম।
অসীমতটের মত চিন্তা করে
অকূল পাথারে পড়েছি আমি
মা-বাবার চোখ রাংগানি
ভয়ে আমি কাঁপি না
আর, কেন জানি না!
ষোল নং অংকটা তাই
মাথা হতে আসছে না
বলেই খাতা জুড়ে
লিখে চলেছি জীবনের
মহাকাব্য- যেখানেই
আমার সুখ-দুঃখ।
তাইতো আজ ব্যর্থ মনোবল
নিয়ে শক্তি সঞ্চয়ের
তাগিদে চারদিকে যখন
সুনসান নীরবতা, তখন
জীবনের পরীক্ষার হলে
প্রতিপাদন করে চলেছি
এক অনিশ্চয়তার সূত্র।